সীমান্তে নানা জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন সময় ফঁন্দি আঁটছে পাকিস্তান। অনেক সময়ই পাক গুপ্তচরদের সীমান্তে আনাগোনা করতে দেখা যায়। সেরকমই পাক গুপ্তচর সন্দেহে গত রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় একটি পায়রা আটক করা হয়। তার পায়ে একটি নম্বর লেখা রিং এবং গায়ে গোলাপি ছোপ ছিল। তা দেখেই সন্দেহ বাড়ে। অনুমান করা হয় সেটি পাক গুপ্তচর। যদিও পায়রাটিকে নির্দোষ বলে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তা ফেরত চেয়ে আবেদনও জানান পাকিস্তানের এক গ্রামবাসী।
যদিও পাখিটির গতিবিধির ব্যাপারে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়া সেটি মুক্ত করে দেওয়া হয়। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে প্রায় ৭ কিমি দূরে কাঠুয়ার চাদওয়াল এলাকায় গীতাদেবীর বাড়িতে উড়ে এসেছিল পায়রাটি। তাঁরা পায়রাটিকে ধরে বিএসএফের হাতে তুলে দেন। বিএসএফের তরফে পায়রাটিকে স্থানীয় হীরানগর থানায় জমা দেওয়া হয়। এর আগেও সীমান্তবর্তী এলাকায় পায়রার মাধ্যমে বিভিন্ন বার্তা পাঠানো হয়েছে। এমন ঘটনা আগে ধরতেও পেরেছিলেন গোয়েন্দারা। কিন্তু এরপরই সীমান্তের ওপারে পাকিস্তানের একটি গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুল্লা পায়রাটি তাঁর পোষা বলে দাবি করেন। তাই ভারতের কাছে পাখিটির মুক্তির আর্জি জানান। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিসের তরফে জানানো হয়, সন্দেহজনক কিছু না মেলায় পায়রাটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
![]()

