দেশ

এবার কুমারিত্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে পুরসভায় চাকরি,বিতর্ক।

বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’–এই স্লোগান আজ সকলেরই জানা। কিন্তু পরপর দু’‌সপ্তাহে গুজরাটের দুটি ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে আদৌ কি দেশের মহিলারা, মেয়েরা সসম্মানে বেঁচে আছেন। জানা গেছে, গুজরাটের সুরাটের পুরসভার কর্মীদের সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা চলাকালীন পুরুষ এবং মহিলা কর্মীদের সঙ্গে সম্পূর্ণ আলাদা ব্যবহার করা হল সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।

এবার গুজরাটের সুরাট পুরসভার কর্মীদের ৩ বছর ‘প্রবেশনারি পিরিয়ড’–এ চাকরির পরে একটি সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। তাঁদের সরকারি চাকরির নিশ্চিতকরন করার আগে এই সাধারণ পরীক্ষায় পুরুষদের হার্ট, ফুসফুস, চোখ, কানের টেস্টের পাশাপাশি মহিলাদের কুমারীত্বের পরীক্ষাও করা হয়! এক মহিলা কর্মী অভিযোগ করেছেন, তাঁদের কাজের মাঝে হঠাৎই জানানো হয় কুমারিত্ব পরীক্ষা করাতে যেতে হবে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। তাঁদের ১০ জন করে এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। একটি ঘরে দাঁড় করিয়ে সম্পূর্ণভাবে নগ্ন করা হয়, গায়নোকলোজিক্যাল ফিঙ্গার টেস্ট করা হয় তাঁদের।

অভিযোগ দায়ের করার সময়ে মহিলারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা করার সময়ে তাঁদের কারও ব্যক্তিগত সম্মানের বিষয়ে নজর রাখা হয়নি। যে ঘরে তাঁদের পরীক্ষা করা হয়েছিল, সেখানে কোনও দরজা পর্যন্ত ছিল না। শুধুমাত্র একটি পর্দা টানা ছিল সেখানে। অবিবাহিতাদের পরীক্ষাকারী মহিলা জিজ্ঞাসা পর্যন্ত করেছিলেন, তাঁদের সন্তান আছে কি না! সেই মহিলার ব্যবহারও যথেষ্ট বিরক্তিকর ছিল বলে জানিয়েছেন সুরাটের সেই পুরসভার মহিলা কর্মীরা। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে ছাত্রীরা ঋতুমতী কি না তা জানতে অন্তর্বাস খোলানোর ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার মাঝেই আবারও এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গেছে। যদিও অভিযোগের পরে স্পিক টি নট।

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *