বিভিন্ন জায়গায় সতর্কতার জন্য মাইকিং চলছে। প্রশাসন যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছেন সংক্রমণ ছড়ানো থেকে মানুষকে বিরত রাখতে। বিভিন্নভাবে সর্তকতা জারি করছেন তারা। ভিড় এড়াতে বারংবার বলা হচ্ছে। কিন্তু কাদের জন্যই বা করছেন! সাধারণ মানুষ চোখে ঠুলি বেঁধেছেন। তারা সবকিছু জেনে বুঝেও অসতর্ক। অথচ যখন কলকাতায় করোনা রোগী ধরা পরল, তার বিরুদ্ধে বিশেষভাবে ধিক্কার জানাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
অথচ নিজেদের সতর্কতার বেলায় ঢুঢু। দীঘা ট্রেন গুলিতে প্রচণ্ড ভিড় হচ্ছে। কিছু বাস বন্ধ করে দেওয়া হলেও প্রাইভেট কারেই পারি দিচ্ছে তারা। সরকারি ছুটি ঘোষণার কারণে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন দীঘার সৈকতে। কেবলমাত্র সরকারি চাকরি নয়, ব্যবসায়ী থেকে বেসরকারি চাকুরীরত রাও পাড়ি দিচ্ছে দীঘায়। সমুদ্র স্নানে নিষেধাজ্ঞা না থাকার কারণে তারা হুল্লোড়ে মেতে উঠছেন। তবে প্রশ্ন উঠছে এই সময় কি এমন ভিড় করা উচিত? তবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সর্তকতা নেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। সমস্ত বিশ্বের সাথে যখন এ রাজ্যেও করোনা হাজির তখন কি সাধারণ মানুষের আরেকটু সতর্ক হওয়া উচিত নয়! উঠছে প্রশ্ন???
- আপনার পরিবার SIR এর আওতা থেকে বাদ পড়েছে কিনা তা নিজেই জেনে নিন
- উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম পর্বের ফলপ্রকাশে উল্লেখযোগ্য সাফল্য রামকৃষ্ণ মিশন নরেন্দ্রপুর এবং রামকৃষ্ণ মিশন পুরুলিয়ার ছাত্রদের ৷ মেধাতালিকায় থাকা ৬৯ জনের মধ্যে ৫৫ জন এই দুই স্কুল থেকে৷
- প্রখ্যাত সৈনিক নীরা আর্যা, যিনি তাঁর বক্ষ কেটে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর রক্ষা করেছিলেন, ছিলেন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির প্রথম নারী গুপ্তচর।
- সূর্যের মধ্যেও হয় বৃষ্টিপাত
- আরামবাগেও মিনি কুমোরটুলি
![]()
