এই মুহূর্তে কেবল রাজ্য রাজনীতি নয় দেশে রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠছেন জেডিইউ প্রাক্তন সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। কিছুদিন আগেই নিতিশ কুমার তার দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে বহিষ্কার করেছেন। এর মূল কারণ ক্রমাগত এনপিআর, এনআরসি বিরোধিতা। রাজনৈতিক মহল মনে করছেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সঙ্গে এর ফলে নীতিশ কুমারের সম্পর্কের অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেই কারণে প্রশান্ত কিশোরকে দল থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন তিনি। এরপরে আসরে নামেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন রাজনৈতিক সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে কিছুদিন পরেই রাজ্যসভার নির্বাচন। সেখানে প্রশান্ত কিশোর কে রাজ্যসভার সংসদ করে পাঠাতে পারে তৃণমূল। চলতি বছরে রাজ্যে পাঁচটি রাজ্যসভার আসনের নির্বাচন। এই পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি তৃণমূল এবং একটি সিপিএমের দখলে রয়েছে। বিধানসভায় বিধায়কদের সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে এবারও চারটি আসন নিশ্চিত তৃণমূলের।
তবে সিপিএমের একার পক্ষে রাজ্যসভায় একজন প্রার্থীকে জেতানোর সম্ভব নয়। কংগ্রেসের সমর্থন পেলে তবে সিপিএম তাদের একজন প্রার্থীকে জিতিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। তৃণমূলের যে চারজন সংসদের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে তারা হলেন মণীশ গুপ্ত, কেডি সিং, আহমেদ হাসান ইমরান এবং যোগেন চৌধুরী। সিপিএমের বহিস্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়েররও মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তৃণমূলের মণীশ গুপ্ত আবারো প্রার্থী হতে চলেছেন বলেই তৃণমূল সূত্রের খবর। তবে আর টিকিট পাচ্ছেন না আহমেদ হাসান ইমরান এবং কেডি সিং। যোগেন চৌধুরী আর সাংসদ হতে রাজি নন তা চিঠি লিখে দলকে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন। আর প্রশান্ত কিশোরকে যদি নিজের দলের সাংসদ করে সংসদে পাঠাতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাহলে যে তিনি রাজনৈতিক ভাবে অনেক-কে টেক্কা দেবেন তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।
পটাশপুর, পূর্ব মেদিনীপুর দশভুজা এখানে মাটির মূর্তি নন। রাজকীয় অলঙ্কারে সাজানো প্রতিমা নেই। তবু প্রতিবার ষষ্ঠীর দিন থেকে গমগম করে ওঠে পঁচেটগড় রাজবাড়ি। কারণ এখানে পূজিত হন পটে আঁকা দুর্গা। রাজত্ব ফুরিয়েছে বহু আগে, কালের ধুলোয় মলিন হয়েছে প্রাচীন প্রাচীর। তবু হার মানেনি আড়াই শতাব্দীরও পুরনো দুর্গোৎসব। কথিত আছে, প্রায় পাঁচশো বছর আগে আকবরের সেনানায়ক […]
বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে মূলত কোন বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন বিভাগের কেমন অবস্থা আছে তা জানার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে জানান এটা ব্যবসা করার সময় নয়। সকলকে জোটবদ্ধ লড়াই করতে হবে। তবেই রাজ্য জিতবে। বিভিন্ন হাসপাতালের বেড সংখ্যা কতটা করে বেড়েছে […]